সরকারি ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চালু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ ও তালিকা প্রণয়ন ঘিরে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় নানা অনিয়মের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত হতদরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন, অন্যদিকে স্থানীয় প্রভাবশালী ওজনপ্রতিনিধিদের স্বজনপ্রীতির কারণে তুলনামূলক স্বচ্ছল পরিবারের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ ও তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, মাঠপর্যায়ে প্রকৃত সুবিধাভোগী বাছাইয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দুস্থ ও অসচ্ছল পরিবারগুলোর দ্বারে না গিয়েই তৈরি করা হচ্ছে খসড়া তালিকা। ফলে প্রকৃত কার্ডপ্রাপ্য পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
ডিমলা উপজেলার পাথরখুড়া গ্রামের এক দিনমজুর জানান, "আমরা দিন আনি দিন খাই। বর্তমান বাজারে নিত্যপণ্যের যে দাম, তাতে ফ্যামিলি কার্ডটা আমাদের মতো মানুষের খুব দরকার। কিন্তু শুনতেছি কার্ড নাকি রাজনৈতিক নেতাদের পরিচিত আর আত্মীয়দের দেওয়া হচ্ছে। আমরা নেতার কাছে গিয়েও কোনো সুরাহা পাচ্ছি না।"
একই ধরনের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিক। তাদের মতে, তালিকা প্রণয়নে কঠোর তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না গেলে সরকারের এই মহতী উদ্যোগের প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বাদ দিয়ে সচ্ছলদের হাতে কার্ড গেলে তা নিম্নআয়ের মানুষের সাথে বৈষম্য সৃষ্টি করবে।
তবে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানান, সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করেই তালিকা তৈরির কাজ চলছে। কার্ডের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় সবাইকে একবারে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না, যার ফলে কিছু মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হতে পারে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, "ফ্যামিলি কার্ড প্রণয়নে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তালিকা চূড়ান্ত করার আগে তা যাচাই-বাছাই করা হবে যাতে কেবল প্রকৃত দুস্থ ও নিম্নআয়ের পরিবারই এই কার্ড পায়।"
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর স্থানীয় প্রতিনিধিদের দাবি, তালিকাটি উন্মুক্ত স্থানে টাঙিয়ে বা গণশুনানির মাধ্যমে যাচাই করে চূড়ান্ত করা হলে যেকোনো ধরনের জালিয়াতি ও অনিয়মের শঙ্কা অনেকটাই কমে আসবে।
উপজেলা ছাত্রদল নেতাদের দাবি,
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য তথ্য সংগ্রহের কাজ ছাত্রদল করবে,
কারণ ছাত্রদল-ই ঘরে ঘরে গিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
এই দায়িত্ব ছাত্রদল কে দেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
নির্লজ্জ বেহায়া শিশির গুলা এটার বিরোধীতা করলো তারা কেমনে তথ্য সংগ্রহের মাঠ কর্মীর আবেদন করে আয়া থু।

