আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ না করে জুয়ার টাকা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের ঘটনা নিজেই ‘মীমাংসা’ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের (ইউডিসি) কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়ন পরিষদে।
অপরাধীদের পুলিশের কাছে না বুঝিয়ে দিয়ে স্থানীয়ভাবে রফা করে ছেড়ে দেওয়ায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (৫ই জুলাই ২০২৬) রাতে ইউনিয়নের মাঠে একসঙ্গে দুইজনের মধ্যে (১।বুধাও বাসাঃ সোনামনির ডাঙ্গা, ২। বেলাল হোসেন বাসাঃ কৈপাড়া) খেলা চলাকালীন জুয়ার টাকার ভাগাভাগি এবং হার-জিত নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন ইউডিসি কর্মচারীরা ( ১। রনজিৎ কুমার ২। মাহাবুব হোসেন ৩। সিয়াম ইসলাম) ও গ্রাম পুলিশ ( নাম জানা যায়নি) উপস্থিত ছিলেন।
নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ বা জুয়াড়িদের আটকের পর নিকটস্থ থানা পুলিশকে অবহিত করার কথা। কিন্তু নাউতারা ইউনিয়ন ইউডিসি’র কর্মচারী মাহাবুব হোসেন ও গ্রাম পুলিশ ( নাম জানা যায়নি) পুলিশকে কোনো কিছু না জানিয়ে নিজেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্যোগ নেন।
অভিযোগ উঠেছে, রাতে ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে উভয় পক্ষকে নিয়ে তিনি সালিশ-বৈঠকে বসেন। সেখানে কোনো আইনি পদক্ষেপ ছাড়াই জুয়াড়িদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের বক্তব্য: "এলাকায় দিন দিন জুয়ার প্রকোপ বাড়ছে। জুয়াড়িদের এভাবে পুলিশের হাতে না দিয়ে শুধু শালিশ করে ছেড়ে দিলে অপরাধীরা আরও পার পেয়ে যাবে। একজন ইউডিসি কর্মীর এমন বিচার করার কোনো এখতিয়ার নেই।"
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউডিসি কর্মী মাহাবুব হোসেন -এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "রাতে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে মারামারি হয়েছিল। বড় কোনো ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য সামাজিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশকে জানানোর মতো কোনো অপরাধ সেখানে হয়নি।"

